Posts

Showing posts from May, 2023

এই 5টি খাবারের সাহায্যে কমিয়ে ফেলুন পেটের মেদ!

Image
  একটা সময়ের পর থেকেই আমাদের শরীরে মেদ জমতে শুরু করে। আজকালকার দিনে আমরা এত ব্যস্ত। পড়াশুনা, চাকরীও কাজের ফাঁকে আমাদের নিজেদের দিকে তাকানোর সময় হয় না। আর সময়ের পর থেকে আমাদের শরীরে মুটিয়ে যেতে শুরু করে এইটাই স্বাভাবিক। আমরা প্রত্যেকেই চাই খুব দ্রুত মুটিয়ে যাওয়া পেটটি কমিয়ে ফেলতে। আর আমরা না বুঝেই ডায়েট করা শুরু করে দেই। কিংবা শুরু করে দেই ব্যায়াম করা তবে একটা জিনিস মাথায় রাখা দরকার। যে আমাদের এই ভুঁড়ি বা পেট একদিনে তৈরি হয় না তাই এই পেট একদিনে কমে যাবে তাও সম্ভব না। সঠিক সময়, সঠিক ব্যায়াম ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে মুটিয়ে যাওয়া পেট কমিয়ে ফেলা সম্ভব। তবে আগে জানতে হবে শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় পেট কেন বেড়ে যায়। তাহলে জেনে নিন পেটের মেদ বাড়ার কারণ এবং কমিয়ে ফেলুন পেটের মেদ কার্যকরী খাবারের সাহায্যে। পেটের মেদ বাড়ার কারণ বিভিন্ন কারণেই পেটের মেদ বৃদ্ধি পায়। এডিপোজ টিস্যুই মূলত মেদ বাড়ার প্রধান কারণ। এডিপোজ টিস্যু তৈরি হয় এডিপোজ কোষ দিয়ে যা দেহের মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে। এডিপোজ টিস্যু দেহের অভ্যন্তরীণ সব দূষিত চর্বিগুলোকে জমা করে ফেলে। জীনগত কারণে এসব চর্বি তলপেটে জমা হয়। ফল...

শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করা ভালো! তবে কোন সময় এই ব্যায়াম করা উচিৎ ? সকালে নাকি বিকালে জেনে নিন!

Image
 যোগ বা শরীরচর্চা এখন অনেকেই করেন। কিন্তু কোন সময়ে শরীরচর্চা করলে সবথেকে বেশি উপকার মিলবে, এই নিয়ে অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন রয়েছে। এই সম্পর্কে আমাদের বিশদে জানালেন বিশিষ্ট যোগবিশারদ। সুস্থ থাকতে গেলে আমাদের প্রতিনিয়ত যোগব্যাম করা উচিৎ। অনেকেই এই ব্যায়াম করে আবার অনেকের কাজের ফাঁকে ব্যায়াম করা হয়ে ওঠে না। পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা রোজ ব্যায়াম করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে ব্যায়াম বা যোগ দিনের কোন সময় করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়, তা নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্ত। যাঁরা প্রতিদিন কিছুটা সময় যোগাসন বা শরীরচর্চা করেন, তাঁরা বিভিন্ন রকমের অসুখ থেকে রক্ষা পান। পাশাপাশি পেশি, হাড়, নার্ভ, পেট, মন সুস্থ থাকে। তাই নিয়মিত যোগ করুন। ১. সকালে না বিকেলে, কোন সময়ে যোগাসন করবেন? তুষার শীল জানালেন, এরকম কোনও ভাগ করে লাভ নেই। যে যখন সময় পাবেন তখনই করুন। এখনকার দিনে সময়ের বড্ড অভাব। তাই যখনই সময় মিলবে শরীরচর্চা করুন। তবে যোগের নিয়ম হল সময়ের সন্ধিক্ষণে অভ্যাস করার। তবে যোগের নিয়ম হল সময়ের সন্ধিক্ষণে অভ্যাস করার। অর্থাৎ রাত ও সকালের মিলন অর্থাৎ ভোরবেলায় অথবা গোধূলিবেলাতেও ব্যায়াম করতে পারেন। তাতেই সবথেকে বেশি উপকার ...

গর্ভাবস্থান অবস্থায় মায়েদের ডায়েট করা উচিৎ নাকি অনুচিত? জেনে নিন!

Image
 গর্ভাবস্থায় একজন মা তার সুস্থতায় ও তার শিশুর উভয়ের বিকাশের জন্য কি ডায়েট করা দরকার? গর্ভধারণের পর নিজের খেয়াল রাখা প্রতিটি মায়ের খুবই গুরুতবপূর্ণ দিক । নিজে সুস্থ আর খুশি থাকলেই আসন্ন সন্তান ভালো থাকবে । তাই কিছু টিপস্ জেনে নিন । শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার আগে পর্যন্ত গর্ভবতী মহিলাই অপেক্ষা করে থাকেন। গর্ভাবস্থায় মা কে সাবধানে হাঁটা চলা করা উচিত, গর্ভস্থ শিশুর মধ্যে সঠিক পুষ্টি আহার পৌঁছচ্ছে কি না তা নিয়েও সতর্ক থাকার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ মা পুষ্টিকর খাবার খেলেই বাচ্চা পর্যন্ত পৌঁছাবে ।   তবে তার আগে খেয়াল রাখা খুবই জরুরি, গর্ভস্থ শিশুর মধ্যে সঠিক পুষ্টি আহার পৌঁছচ্ছে কি না । দেখে নেওয়া যাক, কোন পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবারগুলি গর্ভাবস্থায় খাওয়া প্রয়োজন।    1.গর্ভধারণের সময় ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খেলে তা শিশুর পুষ্টিতে সাহায্য় করে। এতে শিশুর দাঁত ও হাড় মজবুত হয়। ফলে গর্ভবতী মা কে ডিম, দুধ, সোয়াবিন, মাছ, পনির ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। 2.আয়রন যুক্ত পুষ্টিকর খাবার গর্ভাবস্থায় খুব জরুরি। এতে শিশুর দেহে রক্তের পরিমাণ,অক্সিজেনের যাতায়াত বেশি খানিকটা অংশ ...

ওজন ঝরাচ্ছেন ? নাকি শরীরের ক্ষতি বাড়াচ্ছেন লেবু চা দিয়ে!

Image
 স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই এখন বেশির ভাগ মানুষই দুধ চা এড়িয়ে চলেন। আবার অনেকেই মেদ ঝরাতে খাচ্ছেন লেবু চা। কিন্তু আদৌ কি অতিরিক্ত পরিমাণে লেবু চা পান করা উচিত? চলুন জেনে নেওয়া যাক... 1.প্রতিনিয়ত লেবু চা খেলে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হতে শুরু করে। এই জন্য বেশি পরিমাণে লেবু চা না খাওয়াই ভাল। আর যদি দাঁতের ক্ষয় দুর করতে চান তাহলে চা পান করার পর জল দিয়ে কুলকুচি করে নিন। 2.অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের লেবু চা পান করা একে বারেই উচিৎ না, কারণ এতে শরীরে ক্যাফেইনের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং গর্ভপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়। এছাড়াই জলশূন্যতা ও অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি হয়।  3.অতিরিক্ত মাত্রায় লেবু চা খেলে গ্যাস, পেট ব্যথা, ডায়রিয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আসলে লেবু চা অন্ত্রের পিএইচ স্তরের মাত্রা নষ্ট করে দেয়। এতে অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দেয়। সমস্যার বাড়াবাড়ি হলে গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। 4. অতিরিক্ত পরিমাণে লেবু চা পান করলে ঘাম ও প্রস্রাবের মধ্যে দিয়ে শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়। তাই ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি এড়াতে কম পরিমানে লেবু চা পান করুন। অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যাফেইন যুক্ত পানীয়পান করলে শরীরে...

অ্যাসিডিটি বা হোক মাথাব্যাথা, এই ৫ খাবারেই মিলবে সুরাহাসুস্থ থাকবে শরীর

Image
 সাধারণত মাথাব্যথা বা অ্যাসিডিটির মতো সমস্যাগুলো কখনও জানিয়ে আসে না। কিন্তু এই ধরনের সমস্যা আমদের শারীরিক জটিলতা বাড়িয়ে তোলে। এই ৫ ধরনের খাবার খেলেই সমস্যার সমাধান মিলতে পারে । 1.প্রথমত প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন। শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা জরুরি।তার জন্য জল পান করা খুবই দরকার, এতে বদহজমের সমস্যা এবং মাথব্যাথাও কমে যায়। 2.দুপুরের খাবারে ভাত এর সাথে টক দই খেলে এটি অনেক উপকার পাওয়া যায় । এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। 3.গুলকান্দ নামে এক ধরনের দুধ আছে যা স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। এটি গোলাপের পাপড়ি দিয়ে তৈরি করা হয়, এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ত্বক ও চুলের জন্য ভীষণ উপকারী। এটি খেলে ঘুমও ভালো হয় এবং মাথাব্যথা কমায়।  4.কোকুম হল এক ধরনের ফল যা অ্যাসিডিটির ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই ফলটি ভিজিয়ে রেখে খাবার খাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে পান করতে হবে। মূলত গোয়া এবং উপকূলবর্তী এলাকায় পাওয়া যায়।এতে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় থাকে। 5. রোগ ভোগের হাত থেকে দূরে থাকতে গেলে আপনাকে মরশুমি...

তুলসী পাতা রোজ খান।রোগ প্রতিরোধের শক্তি বাড়ান !

Image
  1. তুলসী পাতা দিয়ে রোগ প্রতিরোধের শক্তি বাড়ান যেতে পারে। কারণ এতে থাকা ভিটামিন সি, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ও এসেনশিয়াল অয়েলগুলো চমৎকার অ্যান্টি–অক্সিডেন্টের কাজ করে। আর ত্বকের যত্নের জন্যও তুলসী পাতা ব্যবহার করা যায় 2. তুলসী পাতা শিশু থেকে শুরু করে যেকোনোও বয়সের মানুষের ঠান্ডা, সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে মহৌষধ। 3. বুকে কফ বসে গেলেও তুলসী পাতা উপকার। ও বাচ্চার সর্দি-কাশি থাকলে আধা চা–চামচ মধুর সঙ্গে তুলসী পাতার রস মিশিয়ে খাওয়ালে কাশি কমে যাবে। 4.তুলসী পাতা রক্তের সুগারের মাত্রা ও কোলেস্টেরল দুটোই কমাতে সাহায্য করে, খুব সহজেই যার জন্যে আপনি ওজন বৃদ্ধির হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন। 5. তুলসী পাতায় রয়েছে রেডিওপ্রটেকটিভ উপাদান, যা টিউমারের কোষগুলোকে মেরে ফেলে। যার ফলে ক্যানসার প্রতিরোধকরতে তুলসী পাতা খুবই উপকারী। 6.রক্তে সুগারের মাত্রা কমাতে প্রতিদিন খাওয়ার আগে তুলসী পাতা খাওয়ার অভ্যাস করুন। নিয়মিত তুলসী পাতা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাও বাড়ে। 7.তুলসী পেটের সমস্যার জন্য মহৌষধ। পেটব্যথা, অম্বল, গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি দূর করতে তুলসী পাতা দারুণ...