Posts

Image
  খারাপ হলে অন্ত্রের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া ও টক্সিন ভরে যায়, ফলে দেখা দেয় নানা সমস্যার।  খুব বেশি পেটের সমস্যা হলে শরীর থেকে অনেক জল বেরিয়ে যায়। তাই এই সময় সারা দিন নুন-চিনির জল খাওয়া প্রাথমিক কাজ। এর পাশাপাশি রয়েছে ৫টি খাবার, যা পৈটিক গণ্ডগোলে মহৌষ- 1 .লেবুর রস--এক গ্লাস জলে লেবুর রস, নুন এবং চিনি মিশিয়ে খেলে পেটের সমস্যা থেকে রেহাই মিলতে পারে। 2. কলা-- ডায়রিয়া এবং বমির কারণে শরীরে পটাসিয়ামের অভাব দেখা দেয়। এই সময় পাকা কলা খেলে শরীরে পটাসিয়ামের মাত্রা বজায় থাকে, হারানো এনার্জি ফিরে আসে। 3.রসুন-- রসুনে থাকে অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য যা ডায়রিয়া এবং পেটে ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। রসুনের একটি কোয়া মুখে নিয়ে এক গ্লাস হালকা গরম জল দিয়ে গিলে নিন। এছাড়াও, জলে রসুনের কয়েকটি কোয়া দিয়ে ফোটা। 4.জিরে-- পেট খারাপের সময় জিরে শারীরিক অস্বস্তি ও প্রদাহ কমায়। এক কাপ জলে এক চা চামচ জিরে ফুটিয়ে নিন। এই পানীয়তে এক চা চামচ ধনের রস এবং স্বাদ অনুযায়ী নুন মেশাতে পারে। 5.কলা-- ডায়রিয়া এবং বমির কারণে শরীরে পটাসিয়ামের অভাব দেখা দেয়। এই সময় পাকা কলা খে...

সুস্থ থাকতে নিয়মিত খান 'থোরাসা' থোড়

Image
  কলা গাছের কিছুই ফেলা যায় না! হাজারটা গুণ আছে কাঁচা আর পাকা কলার। কলার ফুল, মানে মোচাও কিছু কম যায় না! আর বিভিন্ন কাজে লাগে কলা পাতা।  আর কলা গাছে কাণ্ড, মানে থোড়ের উপকারিতা শুনলে চোখ কপালে উঠবে! এককথায়, গোটা বছর সুস্থ থাকতে থোড় খাওয়া মাস্ট ! 1. হজমে সহায়ক: থোড়ের শরবত মূত্র ও মলের মাধ্যমে শরীর থেকে টক্সিন বা বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান দূর করে। অন্ত্রে প্রয়োজনীয় ফাইবার সরবরাহ করে হজমেও সাহায্য করে। 2. ওজন কমাতে: থোড়ে ক্যালরির পরিমাণ খুব কম, ফাইবারে ভরপুর! শরীরের কোষে জমে থাকা শর্করা ও চর্বি নিঃসরণ প্রক্রিয়াকে মন্থর করে। অন্যদিকে, মেটাবলিজম-এর হার বৃদ্ধি করে ওজন কমায়! 3. কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: থোড় ভিটামিন বি সিক্স-এ ভরপুর! রয়েছে পটাশিয়াম, আয়রন-ও! কাজেই, কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে উপকারি।  4. অ্যাসিডিটি ও গ্যাসের সমস্যা তাড়াতে: নিয়মিত অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগলে থোড়ের শরবত খাওয়া মাস্ট কারণ এটি শরীরে অ্যাসিডের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে! এড়াছা, পেটে অস্বস্তি, জ্বালা ও পেটব্যথা সারাতেও কার্যকরী। 5. অবৃক্কে পাথর ও মুত্রনালীর সংক্রমণের চিকিৎসায়: থোড়ের শরবতের সঙ্গে এলাচ ...

অসময়ে চুল পড়ে যাচ্ছে?চুল পড়ার আসল কারণ গুলো জেনে নিন!

Image
 কিছু মানুষের চুল পড়ার কারণ বংশগত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আসলে আপনার কিছু করার থাকে না। তবে কিছু কারণ আছে যেগুলো আপনার কারণে হতে পারে। আশপাশের পরিবেশও দায়ী এ অবস্থার জন্য। এ ছাড়াও চুলের সঠিক যত্নের অভাবে চুল পড়ে যেতে পারে।  চুল পড়ার আসল পাঁচটি কারণ― স্ট্রেস বা চাপ  স্ট্রেস বা চাপ কিন্তু আপনার মাথার চুল ফেলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তাই নিজের সব কাজের চাপ কমিয়ে আনার চেষ্টা করুন।  খাদ্যতালিকা  খুব সহজেই খাবার আমদের চুলের পরিবর্তন ঘটাতে পারে।ফাস্ট ফুড, এমনকি খাবার ঠিকমতো না খেলেও চুলের ক্ষতি হতে পারে। কারণ আপনার চুল তখন প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না।  ঘুম না হলে ঠিকমতো ঘুম না হলেও কিন্তু চুল পড়ে যেতে পারে। ঘুম না হলে শরীর ভালো থাকবে না। এর প্রভাব চুলেও পড়তে পারে।  সূর্যের আলো, ধুলাবালি অতিরিক্ত ধুলাবালি এবং সূর্যের আলো চুলের ক্ষতি করে। তাই যখনই বাইরে যাবে তখন ভালো কাপড় দিয়ে চুল ঢেকে বের হলে ক্ষতির পরিমাণ কম হবে। প্রসাধনী প্রসাধনী ব্যবহারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এগুলোতে প্রচুর কেমিক্যাল থাকে, যা চুলের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। তাই চুলের জন্য সব সময় জেনে-বুঝে প্রসাধ...

ফাস্ট ফুড খেলে কোন কোন রোগের আক্রান্ত হতে পারে, জেনে নিন!

Image
 রোজ রোজ জাঙ্ক ফুড খাওয়া ডেকে আনতে পারে আমদের শরীরের নানা ধরনের সমস্যা।  চিজ বার্গার, ফিশ ফিঙ্গার, চিপস ইত্যাদিতে থাকে অ্যাডেড সুগার বা অতিরিক্ত নুন ৷ এগুলো বেশি খেলে তাই ব্লাড প্রেশার বেড়ে গিয়ে হার্টের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে৷ প্রতিদিন ফাস্ট ফুড খাওয়ার অভ্যাস আমাদের মস্তিষ্কের উপড় অনেক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় কগনিটিভ মেমরি৷ জাঙ্ক ফুডে যা একেবারেই থাকে না তা হল ফাইবার৷ ফলে জাঙ্ক ফুড বেশি খেলে কন্সটিপেশন বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে। শুধু শরীরের নয়, জাঙ্ক ফুড ক্ষতি করে ত্বকেরও৷ কার্বোহাইড্রেট, অ্যাডেড সুগার. অ্যাডেড সল্ট অ্যাকনের সমস্যা বাড়ায়৷ নোনতা জাঙ্ক ফুডে যেন অ্যাডেড সল্ট থাকে, তেমনই কেক, প্যাস্ট্রির মতো খাবারে থাকে অ্যাডেড সুগার৷ যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়৷ ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে৷ জাঙ্ক ফুডে থাকে প্রচুপ পরিমাণ সোডিয়াম৷ যা হাড়ের স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ৷ অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড খেলে তাই অস্টিওপরেসিসের ঝুঁকি বাড়ে৷

এই 5টি খাবারের সাহায্যে কমিয়ে ফেলুন পেটের মেদ!

Image
  একটা সময়ের পর থেকেই আমাদের শরীরে মেদ জমতে শুরু করে। আজকালকার দিনে আমরা এত ব্যস্ত। পড়াশুনা, চাকরীও কাজের ফাঁকে আমাদের নিজেদের দিকে তাকানোর সময় হয় না। আর সময়ের পর থেকে আমাদের শরীরে মুটিয়ে যেতে শুরু করে এইটাই স্বাভাবিক। আমরা প্রত্যেকেই চাই খুব দ্রুত মুটিয়ে যাওয়া পেটটি কমিয়ে ফেলতে। আর আমরা না বুঝেই ডায়েট করা শুরু করে দেই। কিংবা শুরু করে দেই ব্যায়াম করা তবে একটা জিনিস মাথায় রাখা দরকার। যে আমাদের এই ভুঁড়ি বা পেট একদিনে তৈরি হয় না তাই এই পেট একদিনে কমে যাবে তাও সম্ভব না। সঠিক সময়, সঠিক ব্যায়াম ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে মুটিয়ে যাওয়া পেট কমিয়ে ফেলা সম্ভব। তবে আগে জানতে হবে শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় পেট কেন বেড়ে যায়। তাহলে জেনে নিন পেটের মেদ বাড়ার কারণ এবং কমিয়ে ফেলুন পেটের মেদ কার্যকরী খাবারের সাহায্যে। পেটের মেদ বাড়ার কারণ বিভিন্ন কারণেই পেটের মেদ বৃদ্ধি পায়। এডিপোজ টিস্যুই মূলত মেদ বাড়ার প্রধান কারণ। এডিপোজ টিস্যু তৈরি হয় এডিপোজ কোষ দিয়ে যা দেহের মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে। এডিপোজ টিস্যু দেহের অভ্যন্তরীণ সব দূষিত চর্বিগুলোকে জমা করে ফেলে। জীনগত কারণে এসব চর্বি তলপেটে জমা হয়। ফল...

শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করা ভালো! তবে কোন সময় এই ব্যায়াম করা উচিৎ ? সকালে নাকি বিকালে জেনে নিন!

Image
 যোগ বা শরীরচর্চা এখন অনেকেই করেন। কিন্তু কোন সময়ে শরীরচর্চা করলে সবথেকে বেশি উপকার মিলবে, এই নিয়ে অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন রয়েছে। এই সম্পর্কে আমাদের বিশদে জানালেন বিশিষ্ট যোগবিশারদ। সুস্থ থাকতে গেলে আমাদের প্রতিনিয়ত যোগব্যাম করা উচিৎ। অনেকেই এই ব্যায়াম করে আবার অনেকের কাজের ফাঁকে ব্যায়াম করা হয়ে ওঠে না। পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা রোজ ব্যায়াম করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে ব্যায়াম বা যোগ দিনের কোন সময় করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়, তা নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্ত। যাঁরা প্রতিদিন কিছুটা সময় যোগাসন বা শরীরচর্চা করেন, তাঁরা বিভিন্ন রকমের অসুখ থেকে রক্ষা পান। পাশাপাশি পেশি, হাড়, নার্ভ, পেট, মন সুস্থ থাকে। তাই নিয়মিত যোগ করুন। ১. সকালে না বিকেলে, কোন সময়ে যোগাসন করবেন? তুষার শীল জানালেন, এরকম কোনও ভাগ করে লাভ নেই। যে যখন সময় পাবেন তখনই করুন। এখনকার দিনে সময়ের বড্ড অভাব। তাই যখনই সময় মিলবে শরীরচর্চা করুন। তবে যোগের নিয়ম হল সময়ের সন্ধিক্ষণে অভ্যাস করার। তবে যোগের নিয়ম হল সময়ের সন্ধিক্ষণে অভ্যাস করার। অর্থাৎ রাত ও সকালের মিলন অর্থাৎ ভোরবেলায় অথবা গোধূলিবেলাতেও ব্যায়াম করতে পারেন। তাতেই সবথেকে বেশি উপকার ...

গর্ভাবস্থান অবস্থায় মায়েদের ডায়েট করা উচিৎ নাকি অনুচিত? জেনে নিন!

Image
 গর্ভাবস্থায় একজন মা তার সুস্থতায় ও তার শিশুর উভয়ের বিকাশের জন্য কি ডায়েট করা দরকার? গর্ভধারণের পর নিজের খেয়াল রাখা প্রতিটি মায়ের খুবই গুরুতবপূর্ণ দিক । নিজে সুস্থ আর খুশি থাকলেই আসন্ন সন্তান ভালো থাকবে । তাই কিছু টিপস্ জেনে নিন । শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার আগে পর্যন্ত গর্ভবতী মহিলাই অপেক্ষা করে থাকেন। গর্ভাবস্থায় মা কে সাবধানে হাঁটা চলা করা উচিত, গর্ভস্থ শিশুর মধ্যে সঠিক পুষ্টি আহার পৌঁছচ্ছে কি না তা নিয়েও সতর্ক থাকার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ মা পুষ্টিকর খাবার খেলেই বাচ্চা পর্যন্ত পৌঁছাবে ।   তবে তার আগে খেয়াল রাখা খুবই জরুরি, গর্ভস্থ শিশুর মধ্যে সঠিক পুষ্টি আহার পৌঁছচ্ছে কি না । দেখে নেওয়া যাক, কোন পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবারগুলি গর্ভাবস্থায় খাওয়া প্রয়োজন।    1.গর্ভধারণের সময় ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খেলে তা শিশুর পুষ্টিতে সাহায্য় করে। এতে শিশুর দাঁত ও হাড় মজবুত হয়। ফলে গর্ভবতী মা কে ডিম, দুধ, সোয়াবিন, মাছ, পনির ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। 2.আয়রন যুক্ত পুষ্টিকর খাবার গর্ভাবস্থায় খুব জরুরি। এতে শিশুর দেহে রক্তের পরিমাণ,অক্সিজেনের যাতায়াত বেশি খানিকটা অংশ ...